"কে বাঁচায় কে বাঁচে"
১.মৃতুঞ্জয় প্রথম কখন অনাহারে মৃত্যু দেখেছিল?
উ:-একদিন অফিসে যাবার পথে মৃত্যুঞ্জয় প্রথম অনাহারে মৃতু্য দেখেছিল।
২.ফুটপাতে কেন,কার বেশি হাঁটার প্রয়জন হয় না?
উ:-মৃত্যুঞ্জয় বাড়ির থেকে বের হয়ে দু পা হেঁটে ট্রামে ওঠে,নামে অফিপের সামনে। তার বাড়িটা শহরের ফুটপাতহীন নিরিবিলি অঞ্চলে এবং বাড়ির বাজার করে তার ছোট ভাই ও চাকর তাই মৃত্যুঞ্জয়ের বেশি হাঁটার প্রয়োজন হয় না।
৩."নইলে দর্শনটা অনেক আগেই ঘটত"-কীসের দর্শন ঘটত?
উ:- এখানে দুর্ভীক্ষ পীড়িত অনাহারী মানুষের ফুটপাতে পড়ে মৃতু্যর কথা বলা হয়েছে।
৪.বাড়ি থেকে বের হয়ে কত পা হেটে ট্রামে উঠে মৃতুঞ্জয়?
উ:-বাড়ির থেকে দুই পা হেঁটে ট্রামে ওঠে মৃত্যুঞ্জয়।
৫.মৃতুঞ্জয়ের বাড়িটা কোথায় অবস্থিত?
উ:-মৃতু্যঞ্জয়ের বাড়িটা শহরের প্রায় ফুটপাতহীন নিরিবিলি জায়গাতে অবস্থিত।
৬. মৃতুঞ্জয়ের বাজার কে করত?
উ:-মৃত্যুঞ্জয়ের বিছার করতো তার ছোট ভাই ও চাকর।
৭.মৃতুঞ্জয়ের সুস্থ শরীর কতক্ষণে খারাপ হয়ে গেল?
উ:-মৃতু্যঞ্জয়ের সুস্থ শরীরটা কয়েক মিনিটে অসুস্থ হয়ে গেল।
৮.মনে আঘাত পেলে মৃতুঞ্জয়ের কোথায় প্রতিক্রিয়া হয়?
উ:- মনে আঘাত পেলে শরীরে প্রতিক্রিয়া হয় মৃত্যুঞ্জয়ের।
৯.অফিসে ঢুকে মৃতুঞ্জয় কোথায় বসে পড়ল?
উ:-আফিসে পৌঁছে নিজের ছোট্ট কুঠুরিতে ঢুকে চেয়ারে ধপ করে বসে পড়লো।
১০. মৃতুঞ্জয় কী কী খেয়ে এসেছিল বাড়ি থেকে?
উ:-মৃত্যুঞ্জয় বাড়ির থেকে ভাত,ডাল,তরকারি,ভাজা,মাছ এবং দই খেয়ে এসেছিল।
১১. পাশের কুঠুরি থেকে কে খবর নিত এল?
উ:-পাশের কুঠুরি থেকে খবর নিতে এসেছিল মৃত্যুঞ্জয়ের বন্ধু নিখিল।
১২. কে,কেন দেওয়ালের দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল?
উ:- মৃতুঞ্জয় প্রথম অনাহারে মৃত্যু দেখেছে ফলে তার মনে প্রতিক্রিয়া হয়েছে এবং শরীরও তার প্রভাব পড়েছে। এর জন্য মানসিক এবং শারীরিক কষ্টবোধের কারণে মৃত্যুঞ্জয় দেয়ালের দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
১৩. অফিসে মৃতুঞ্জয়ের সমপদস্থ ব্যক্তির নাম কী?
উ:- অফিসে মৃত্যুঞ্জয়ের সমপদস্থ ব্যক্তির নাম নিথিল।
১৪. মৃতুঞ্জয় নিখিলের কত টাকা,কেন বেশি পায়?
উ:- মৃত্যুঞ্জয় নিখিলের থেকে পঞ্চাশ টাকা বেশি পায় তার একটি বাড়তি দায়িত্বের কারণে।
১৫.নিখিল কী প্রকৃতির লোক?
উ:- নিখিল রোগা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি এবং আলসে প্রকৃতির লোক।
১৬. মৃতুঞ্জয়ের বিয়ে কত বছর হয়েছে?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের বিয়ে হয়েছে ৬ বছর( নিখিল দুবছর আগে বিয়ে করেছে,আট হল মোট বিয়ে নিখিলের। অর্থাৎ মৃতুঞ্জয়ের বিয়ে=৮-২=৬)
১৭. নিখিলের কতগুলো সন্তান?
উ:- নিখিলের মোট দুটি সন্তান।
১৮.নিখিল অবসর জীবন কীভাবে কাটাতে চায়?
উ:- অবসর সময় বই পড়ে এবং চিন্তার জগৎ গড়ে কাটাতে চায়।
১৯. অন্য সকলের মতো কে মৃতুঞ্জয়কে ভালোবাসে?তার কারণ কী?
উ:- নিখিল মৃত্যুঞ্জয়কে ভালোবাসে তার কারণ মৃতুঞ্জয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও পচা ঐতিহ্য আদর্শবাদের কল্পনা তাপস বলে।
২০.কার মানসিক ক্রিয়া পতিক্রিয়া শ্লথ, নিস্তেজ নয়?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শ্লথ নিস্তেজ নয়।
২১. শক্তির একটা উৎস আছে কার মধ্যে?
উ:- শক্তির একটা উৎস আছে মৃত্যুঞ্জয়ের মধ্য।
২২.মৃতুঞ্জয়ের কাছে কে কাবু হয়ে যায়?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের কাছে নিখিল কাবু হয়ে যাবে।
২৩.মৃতুঞ্জয় হলে মন্দ ছিল না, নিখিলের কখন,কেন এমনটা মনে হয়েছে?
উ:- যখন নিখিল মৃত্যুঞ্জয়ের কাছে হেরে যায় তখন নিখিল ভাবে মৃত্যুঞ্জয় হলে মন্দ ছিল না। তার কারণ সে তখন যদি মৃত্যুঞ্জয় হয়ে যায় তাহলে জয়টা তার হতো।
২৪.মৃতুঞ্জয়ের রকম দেখে কে,কী অনুমান করল?
উ:- মৃত্যুঞ্জয় এরকম অর্থাৎ অস্থিরতা দেখে নিখিল অনুমান করল যে মৃত্যুঞ্জয় বড় কোন সমস্যার মধ্যে আছে।
২৫.কী হল হে তোমার? কে,কাকে একথা বলেছে?
উ:- এখানে নিখিল মৃত্যুঞ্জয় কে একথা বলেছে।
২৬. "এ আপরাধের প্রায়শ্চিত্ত কী"-কোন পাপের কথা বলা হয়েছে?
উ:- এখানে মৃত্যুঞ্জয় নিজে চার বেলা পেট পুরে খাচ্ছে অথচ দুর্ভিক্ষ পীড়িত অনাহারি মানুষগুলো না খেয়ে মারা যাচ্ছে, এখানে তাই সে নিজের খাওয়াটাকে অপরাধ বলে মনে করেছে।
২৭.কীসের মতো ছোয়াছে এই পৃথিবীতে নেই?
উ:- দরদের মত ছোঁয়াচে এই পৃথিবীতে আর কিছু নেই।
২৮.নিখিল সংবাদ পত্রে কোন খবর দেখল?
উ:- নিখিল সংবাদপত্রটি খুলে দেখলো এক স্থানে হা হুতাশ করা মন্তব্য করা আছে যে গোটা কুড়ি মৃতদেহকে সদগতির ব্যবস্থা করে স্বর্গে পাঠানো হয়নি।
২৯.নিখিল প্রতিমাসে কত জায়গাতে টাকা পাঠায়?
উ:- নিখিল প্রতিমাসে তিন জায়গাতে টাকা পাঠায়।
৩০. একটা কাজ করে দিতে হবে ভাই, কোন কাজের কথা বলা হয়েছে?
উ:- এখানে মৃত্যুঞ্জয় নিজের মাইনের সমস্ত টাকাটা নিকেলের হাতে দিয়ে বলে একটা রিলিফ ফান্ডে দান করে আসার জন্য।
৩১.মৃতুঞ্জয়ের বাড়িতে কতজন সদস্য?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়িতে মোট ৯ জন সদস্য।
৩২.টুনুর মা একবেলা খেয়ে কতদিন বাঁচবে?
উ:- টুনুর মা এক বেলা খেয়ে পনেরো থেকে কুড়ি দিন বাঁচতে পারে। ২১ দিনের বেলা সে একবেলা খেয়ে বাঁচবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।
৩৩.মরে তো মরুক, কে, কাকে,কেন একথা বলেছে?
উ:- এখানে মৃত্যুঞ্জয় নিখিলকে টুনুর মায়ের উদ্দেশ্যে একথা বলেছে তার কারণ মৃত্যুঞ্জয় একবেলা খায়না বলে টুনুর মাও একবেলা খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। তাই তার স্বাস্থ্য ভেঙে গিয়ে বিছানাগত হয়েছে।
৩৪.নিখিল মৃতুঞ্জয়কে কী বুঝিয়ে বলার কথা ভাবছিল?
উ:- নিজে একবেলা খাওয়া বন্ধ করে দিয়ে সেই খাবার দিয়ে দেশের মানুষকে বাঁচানো যাবে না এই কথাটি নিখিল বুঝিয়ে বলবার কথা ভেবেছিল।
৩৫. "নীতিধর্মের দিক থেকে বলছি না, সমাজ ধর্মের...."কে,কাকে কী বলেছিল?
উ:- নিখিল আমার ধর্মের দিক থেকে বলেছিল ১০০ জনকে খুন করার থেকে নিজেকে না খাইয়ে মারাটা বড় পাপ।
৩৬.গ্রুয়েল শব্দের অর্থ কী?
উ:- গ্রুয়েল শব্দের অর্থ হাতের ফ্যান।
৩৭."এখন সেটা বন্ধ করে দিয়েছে"- কে,কী,কেন বন্ধ করে দিয়েছে?
উ: মৃত্যুঞ্জয় লঙ্গরখানায় অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। তার কারণ সবাই নেশায় আচ্ছন্ন জমানো সুরে একই ভঙ্গিতে কথা বলে।
৩৮. "টুনুর মাকে তারা মিথ্যা কথা বলে"-কারা,কেন মিথ্যা কথা বলে?
উ:- টুনুর মায়ের বাড়ি সদস্যরা টুনুর মাকে মিথ্যা কথা বলে, তার কারণ সে যখন তার বাড়ির আবালবৃদ্ধবণিতাকে মৃত্যুঞ্জয়ের খোঁজ করতে বললে তখন তারা কিছুক্ষণ বাইরে ঘুরে এসে বলে যে, মৃত্যুঞ্জয় কিছুক্ষণ পরে বাড়ি ফিরবে। তার কারণ এই বিরাট শহরে মৃতুঞ্জয়কে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয় তাই তারা এ কথা বলে।
৩৯.কারা,কেন চেচিয়ে কাঁদে?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের ছেলেমেয়েগুলি অবহেলায় এবং ক্ষুধার জ্বালায় চেঁচিয়ে কাঁদে।
৪০.নিখিলকে কোথায়,কেন বারবার আসতে হয়?
উ:- নিখিল কে মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির বারবার আসতে হয় তার কারণ টুনুর মা নিখিলকে স্বকাতর অনুভব করেছিল মৃত্যুঞ্জয়ের খেয়াল রাখার জন্য।
৪১.কে,কাকে,কার নজর রাখার দায়িত্ব দিয়েছিল?
উ:- টুনুর মা নিখিলকে মৃত্যুঞ্জয়ের নজর রাখার দায়িত্ব দিয়েছিল।
৪২."আমিও ওঁর মতো হয়ে গেছি"-কে,কেন,কার মতো হয়ে গেছে?
উ:- টুনুর মা মৃত্যুঞ্জয়ের সঙ্গে থেকে থেকে এবং দুর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষগুলোর কথা ভেবে ভেবে মৃত্যুঞ্জয়ের মত হয়ে গেছে।
৪২."আমাকে দু তিন দিন সঙ্গে নিয়েগিয়েছিলেন"-কে,কাকে,কোথায়,কেন নিয়ে গিয়েছিলেন?
উ:- মৃত্যুঞ্জয় টুনুর মাকে ফুটপাতে দুর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষগুলোর কাছে পরিচয় ও তাদের যন্ত্রণা দেখানোর জন্য নিয়ে গিয়েছিল।
৪৩.নিখিল কেন হাল ছেড়ে দিয়েছিল?
উ:- মৃত্যুঞ্জয় নিখিলের কথা শুনে কিন্তু কিছু বুঝতে পারে না, তার অভিজ্ঞতার কাছে কথা কথার মারপ্যাঁচগুলো অর্থহীণ গেছে। তাই নিখিল বাধ্য হয় হাল ছেড়ে দিতে ।
৪৪.মৃতুঞ্জয়ের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
উ:- মৃত্যুঞ্জয়ের গা থেকে বস্ত্র অদৃশ্য হয়ে গায়ে ধুলো জমে। মগ হাতে সে বলে অন্যান্য অন্নপ্রার্থীদের মতো বলে-'গা থেকে এইছি। খেতে পায়নি বাবা। খেতে দাও।'
৪৫.মৃতুঞ্জয় কী বলে আর্তনাদ করেছিল?
উ:-মরে গেল!না খেয়ে মরে গেল!
Comments
Post a Comment
What type of content you need?